ওয়ান – ডে বা টুয়েন্টি টুয়েন্টি নয়। রীতিমতো একটা টেস্টম্যাচ খেলা চলছে। সেকেন্ড ইনিংসের খেলা… আর ইন্ডিয়ার বেশ ক’টা উইকেট ইতিমধ্যে পড়ে গেছে। সচিন, দাদা, ভিভিএস, ভিরু সব প্যাভিলিয়নে।
তবে একটাই ভরসা, একদিকে এখন রাহুল দ্রাবিড়। হেলমেটের তলায় চোখ দুটো স্থির। দু – তিনটে আচমকা লাফিয়ে ওঠা বল, চোয়ালে, মাথায় নিয়েছে। রাহুল দ্রাবিড় – দ্য ওয়াল। এদিকে মারাত্মক বল করছে শেন ওয়ার্ন আর গ্লেন ম্যাকগ্রা। পিচটায় অসমান বাউন্স। কোনটা লাফাবে, কোনটা কতটা ঘুরবে… কিস্যু বোঝা যাচ্ছেনা। বিকেলের রোদে লাল রঙের ধুলো উড়ছে।
আর তো মাত্র একুশ ওভার খেলা বাকী। অতর্কিতে বুকের কাছে লাফিয়ে ওঠা একটা বল, সপাটে হুক না করে সসম্মানে ব্লক করল দ্রাবিড়। গ্যালারির পাবলিক মোটামুটি স্পিকটি নট। দাঁতে নখ কাটছে। তবুও বিশেষ কিছু ছোকরা দর্শক থেকে থেকে ছুঁড়ে দিচ্ছে পরামর্শ, কটূক্তি। দেখলে গুরু, কাণ্ডটা দেখলে? হুক’টা করলে একটা বাউন্ডারি পেতিস। কি মনে হচ্ছে দাদা? একটু বেশীই ডিফেন্সিভ হয়ে যাচ্ছেনা দ্রাবিড়? ব্যাটা বহুত ঠুকঠুক করে। ম্যাচটা কি লাস্ট অবধি বের করতে পারবে?
এক সিনিয়র দর্শক একচিলতে হেসে বললেন, চুপটি করে বসো দেখি। ভুলে যেওনা, এখন দ্রাবিড় মাটি আঁকড়ে খেলছে, ওকে শুধু নিজের মতন খেলতে দাও তোমরা। ফালতু ডিস্টার্ব কোরোনা তো! ভূ-ভারতে একজন যদি কেউ ম্যাচ বের করতে পারে, ওই দ্রাবিড়ই পারবে”!
তাই বলছি, ঘরে থাকুন সবাই। শ’য়ে শ’য়ে রাহুল দ্রাবিড় এখন তাঁদের নিজ-নিজ ক্রিজে। ম্যাচ বের করতে হলে, কোনটা মারবেন আর কোনটা ছাড়বেন, তাঁদেরকে বুঝে নিতে দিন। নিজেদের মতন খেলতে দিন! কাম অন ইন্ডিয়া।
Leave a comment