জানিস ভাই 😃 ১১

জানিস ভাই 😃 ১১

তোদের বুলনদি’কে কাল বিকেলে ট্যাঙ্কের মাঠে দেখলি নাকি রে ভাই? অলরেডি বাপিনদার কাছে শুনেছিস বোধহয়, আমার সাথে’তো প্রায় একহপ্তা হতে চলল, কোনরকমের যোগাযোগ রাখেননি তিনি। আরে ভাই, কিছু না হলেও, গোটা আটেক ফোন করেছি রে। সে ধরেনি। পাগলার মতন একটার পর একটা মেসেজ ছেড়ে রেখেছি। তা সে তারও কিছু জবাব দেওয়ার দরকার আছে বলে মনে করেনি। তারপর আমিও শালা ভাবলাম, ধুস শালা। হাঁটা শাভন কি ঘটা! আমরা কি’বে রাস্তার কুকুর-বেড়াল নাকি রে ভাই? শালা তোমাদেরই যতও বস্তাভরা ন্যাকা মান-সম্মান-অসম্মান আছে। আর আমাদের তেমনি কিছু নেই নাকি রে ভাই?

ভাই, তোকে কি বলব রে ভাই? ওকে লাস্ট দেখলাম আমি, তোর ওই মুনিয়াদের সাথে। গত শনিবার। শনিবারে সন্ধ্যেবেলা অটো ইউনিয়েনর একটা মিটিং ছিল’রে। যেমনি ওই প্রতিমাসে তোর হয়। তা ওই স্ট্যান্ডের ছেলেরা বলেছিল, ভাইয়াদা তুমি পারলে একবার চলে এসো ক্লাবের হয়ে। সাতটা নাগাদ। আর আমিও সেইমতন এদিককার সব কাজফাজ সেরে একবার ঢুঁ মারলাম রে ভাই। ছেলেগুলো সব এমনি করে বলছে। তা তাঁকে সেই তখনটা দেখলাম। মোড়ের মাথায়, ওই একটা ওই সাদামতন ট্যাক্সি দিয়ে তিনজন মিলে নামলো। একটা ফুল রেড কালারের সালোয়ার কামিজ। আমি দেখে এগিয়ে যেতেই, তোর ওই মুনিয়ার কানেকানে কি একটা বেশ বলে, দেখি শালা হেসে গড়িয়ে পরছেন তিনি। আমাকে আড়চোখে একবার মনে হয় মাপলও’রে ভাই। মেপেফেপে শালা ফুল সাইড কাটিয়ে চলে গেলো। ওই তোর লাস্ট। তারপরে নো দেখা, নো ফোন, নো মেসেজ, নট কিচ্ছু।

আরে কিচ্ছু না রে ভাই। শুধু বেয়াড়া চাহিদা। শালা শুধু দাও, দাও আর দাও। শালা তাঁকে শুধু দিয়ে যাও। শালা সময় চাইলে সময় দাও। পয়সা চাইলে, পয়সা দাও। সিনেমায়ে যেতে চাইলে, ইমিডিয়েট তাঁকে সিনেমায়ে নিয়ে যাও। সিনেমাহলে অন্ধকারে হাতফাত চেপে ধরতে চাইলে, সঙ্গেসঙ্গে তার হাত চেপে ধরো। কি তোকে আর বলব রে ভাই? তোরা সব আমাদের দিয়ে জুনিয়র আছিস! পুরোটা শুনলে না, তুই বলবি, ভাইয়াদা, তোমার পায়ে দাদা কোটিকোটি নমস্কার। ওই তোদের ভালভাষায়ে বলতে গেলে না, বলতে হয়, প্রত্যাশা। আর শুধু প্রত্যাশা না, এই বুলনটা হল গিয়ে তোর প্রত্যাশার চরম। আর তুই এই ভাইয়াদার দিয়ে ভাল জানবি রে ভাই, ঠিক যেইখানটায় তোর এই প্রত্যাশা ব্যাপারটা এসে যাবেনা, সেইখানেই দিয়ে তোর থাকবে হতাশা। এই তুই নিজেই দ্যাখনা। সাদা চোখেই দ্যাখ। এই যেমনি কিনা তোর দিল্লীতে। তোর ওই আছছে-দিন আছছে-দিন করে চোদ্দসালে কেমনি সব হুলুস্থুলটাই না হল। শালা ফুল দেশের সামনে প্রত্যাশার চরম। কেউ বলে প্রতি অ্যাকাউন্টে দশলাখ করে দেবে, তো কেউ বলছে পনের। তা তোর কি হল দিয়ে শেষটা? চোদ্দ সালে শালা যে তিমিরে, উনিশেও শালা ঠিক সেইখানেই। তখনও তোদের এই বেকুব ভাইয়াদার ব্যাঙ্কের খাতায়ে, ছাব্বিশ টাকা। এখনো শালা ওই কুল্লে ছাব্বিশ। মাঝখান দিয়ে মনের ভেতর এসে গেলো ফুল হতাশা। আর এদিকে শালা পাশবই চেকবই সব হারিয়ে দিয়ে বসে আছি। কি? না শালা পেটিএম করো। আঁধার কার্ড’কা নাম্বার দে’দো, আউর বিন্দাস পেটিএম করো।

দ্যাখ ভাই। চাহিদা, প্রত্যাশা – এইসব তো থাকবেই। সকলেরই থাকে। আরে বাবা। আমরা সবাই তো রক্তমাংসের মানুষ তো। নাকি? তবে ভাই চোদ্দসালে যা জিনিষ দেখলাম, যাকে বলে কিনা তোর ওই আকাশছোঁয়া প্রত্যাশা! সে জিনিষ নিয়ে কিন্তু শালা অনেক হ্যাঙ্গাম রে ভাই। ভাই অনেক টাইপের লোক দেখলাম’রে আজ অব্ধি। ছোটবেলায়ে দেখতাম আমাদের সন্তোষজ্যাঠাকে। আরে আমাদের নারাণদার ছোটোকাকা। শালা সবকিছু তার নিখুঁত চাই। নির্ভুল চাই। শালা, নারাণে’র ফুল ফ্যামিলি, মা কাকিমারা রীতিমতন কেস খেয়েই থাকত’রে ভাই। রুটি শালা কেন সার্কেল হলনা, ডিমভাজায়ে কেন নুন বেশি? চা দিতে গিয়ে প্লেটে কেন চা ছলকে পড়ল? বিস্কুট কেন মিয়নো? বহুত দেখেছি আর বহুত শুনেছি রে ভাই… আর এতো শালা ছিল রোজকার গল্প। কি বেকার হুজ্জুতটাই না করতে পারত শালা লোকটা। আর শালা সব বিষয়ে মালটার ঘ্যাজামেজি। তুই দ্যাখ ভাই লাস্টে। শেষপর্যন্ত কি হল সে লোকটার। জামাইয়ের কাছে শেষমেশ জুতোর বাড়ি খেয়ে শালা মরল।

আর তুই ঠিক এমনি হিসেবটাই দেখবি রে ভাই দিল্লীতে। আমাদের এই কাঁচামাথার পাবলিকের জন্য, তোর রাজাদাদের গভর্নমেন্টেরও না ঠিক ওই সন্তোষজ্যাঠার হালত না হয়ে যায়! আমি তো সেদিন সব বললাম বাবাদের। তোকে কি বলব ভাই? ভাই হেভি গরম আলোচনা শুরু করছিল রোববার সব আমাদের সিনিয়র মেম্বারগুলো। আর আমি ওই ক্লাবের বেড়া’র কাজ দেখতে দেখতে জাস্ট হালকায়ে শুনছিলাম শুধু। ভাই একথা সেকথা পেরিয়ে লাস্টে তোর ভটচাজকাকাটা যেই’না শালা ওই মন্দির-মসজিদ তুলেছে না, আমি তো শালা ধুইয়ে দিয়েছি রে ভাই। মুখের ওপরে স্ত্রেট বলে দিলাম রে ভাই। সে তোর রাজাদাই কেস দিক বা পুলিস। ভাই, ঠিক হাতে গুনে তোর ওই তিন চারটে মোক্ষম ম্যাটার দিয়ে দিলাম রে বাবাদের সেদিন।

ভাই তোরা কে কেউ প্রাইম মিনিস্টারের পয়লা তারিখের সাক্ষাৎকারটা শুনলি? এই’তো ক’দিন আগেই রেডিও টিভি, সব জায়গায়ে দেখাচ্ছিল। যদি না শুনে থাকিস, একটু টাইম হাতে নিয়ে গুছিয়ে শুনে নিস’রে ভাই। মনে হয়, তাহলে বিষয়টা ঠিকমতন ধরতে পারবি। আমার নিজের কিন্তু লোকটার কথাটা শুনে মনে হল রে ভাই, হিরোগিরিটা কেমনি একটু যেন কমতির দিকে। রংবাজিতে বেশ দু-একটা না-শুকোনো কাঁচা ঘা আছে বলেই তো মনে হল। তবে মিথ্যে বলব কেন ভাই? বেশ কিন্তু গুছিয়েই বলল লোকটা। তবে অনেক বেশিরকমের পাকামাথার কথাবার্তা, বেশ গুছিয়ে। কোন ঢপের দশলাখ পনেরলাখের বুলি নেই। চরম ডানপন্থী ব্যাপারটা অনেক কম। আর শালা পাকা না হয়েই বা হবে কেমনি করে? শালা দুনিয়ার যত বিটকেল খচড়া পাবলিকগুলো যেন তাক করে বসে আছে বন্দুক দিয়ে।

তুই দেখ ভাই, ফাস্টে দেখ এই আরএসএস’টা কেমনি এলোপাথাড়ি ডানদিক বাঁদিক কেস দিচ্ছে লোকটাকে। শালা লোকটা দেশের প্রধানমন্ত্রী, দশের প্রধানমন্ত্রী। সে নাকি রামমন্দির তাঁকে করে দিতেই হবে। আর ওদের ওই সবচেয়ে বড় গুঁফো লিডারটার বক্তৃতা শুনে তো বেশ মনে হল, শালা যেন ছটফট করছে পুরো দেশ। রামলালার জন্য। মনে রাখবি ভাই, পরপর তিনখানা স্টেট হেরে গেলো কিন্তু লোকটা। ভাই, এরই মধ্যে যদি এদিক সেদিক করে, রামমন্দিরটা নামিয়ে দিতে পারত, তবে কিন্তু লোকে হাতে ছাপ মারতে গিয়ে আরও পাঁচবার ঠাণ্ডা মাথায়ে ভাবত। আর দেখ তুই তিনটে ইলেকশনে হেরে, চারধারে দিয়ে তাঁকে মনে করিয়ে দেওয়ার ধুম পরে গেলো, শালা এই পাঁচবছরেই নাকি মন্দিরের ফয়সালা করে দেওয়ার কথা দিয়েছিল লোকটা। শালা প্রত্যাশা আর কাকে বলবি তুই? আর তারপরেই সামলাও শালা হতাশার যত কেস।

এবারে তুই আরেকটা জিনিস আমাকে বল ভাই। মন্দির ইস্যু তো যতদূর বুঝছি, শালা আগামী তিনচার মাসে তো কিছু করে উঠতে পারবে বলে তো মনে হয়না। তা এবারের লোকসভা ইলেকশনটা কি নিয়ে লড়বে বল দেখি লোকটা? একবারও তোরা ঠাণ্ডা মাথায়ে ভেবে দেখেছিস বিষয়টা? তা জিজ্ঞাসা করলাম সেদিন ওই পাকা ভটচাজকে। তোমরা চোদ্দসালে তো খুব বকেছিলে, সবকা সাথ সবকা বিকাশ। আর সে’সময়ে সে আমি তোর ভাতমাছ খাওয়া বাঙালীদের মতন তালব্য-শ দিয়ে বিকাশ বলাতে, সে তোর রাজাদার কি শালা খিকখিক করে হাসি! আমায়ে বলেছিল, ভাইয়া, এবার একটু উচ্চারণের দিকে নজর দে। কথাটা কিন্তু আসলে বিকাশ নয়। এবার থেকে একটু কায়দা করে বলবি ভিকাস। শালা খুব তো আগারওয়ালার দিয়ে পয়সা ভজিয়ে নিয়ে আসিস মাঝেমধ্যেই, একটা দুটো শুদ্ধ রাষ্ট্রভাষা বলতে এখনো এত তোদের অসুবিধা হয়? আমাকে বল ভাই, কি নিয়ে খেলবে এবার রাজাদা আর ওই ভটচাজ এই উনিশ সালের ইলেকশনে? সে শালা বিকাশই বল বা জিভে হিন্দি পুরকি মেরে ভিকাস। সে একই একঘেয়ে গেম তো দুহাজার উনিশের ফোর-জি কানেকশনের স্মার্টফোন ব্যবহার করা ইন্ডিয়ান চাষি পরপর দুবার খেলবে বলে তো মনে হয়না। ভদ্রলোককে এবার ঝোলার দিয়ে নতুন বেড়াল বের করতে হবে রে ভাই।

তোর কি মনে হয় রে ভাই, লোকটা ক্যাবলা? বিন্দাস স্বীকার করে নেবে? পাঁচশো হাজারের নোটবন্দি, কৃষকদের হেলাফেলা করা দুর্দশা, আমাদের মতন বেকার ছেলেদের সেই শালা ফ্যা-ফ্যা করে ঘুরে বেড়ানোর তকমা? আর একটা সূক্ষ্ম জিনিস ভেবে দেখিস ভাই! লোকটা কিন্তু ভয়ঙ্কর রকমের রংবাজি করে নিয়েছে গত চারটে বছর ধরে। কাউকে শালা ছেড়ে কথা বলেনি। ওই আমাদের ছোটবেলার দেখা শঙ্করজ্যাঠার মতন। ব্রিগেডে লরি করে লোক নিয়ে যাওয়া থেকে, ক্লাবের পিকনিক বল বা ওয়ান-ডে টুর্নামেন্ট দিয়ে রক্তদান শিবির। তা তোদের ওই পরিবর্তনের পরে, লোকে শালা কিন্তু শঙ্করজ্যাঠাকে ছেড়ে কথা বলেনি। যার শালা যা যা ক্ষার ছিল, যেখানে ব্যথা ছিল, সব শালা ক্ষার বিনামাগনা সুদেআসলে মিটিয়ে নিয়েছে। ওয়ান লাভ দিয়ে শুরু করা ম্যাচ কিন্তু লাস্টে লাভ অল দিয়েই শেষ করেছে ভবেন। ভুলে যাসনা ভাই! সে তুই তাকে সাবজেক্ট বল, কি প্রেডিকেট বল, কি সিন্ডিকেট। সব হিসেব শালা এখন সমান সমান। দিল্লীতেও কিন্তু লোকে চুপচাপ বসে নেই রে ভাই। সবকটা খচ্চর মাল, শুধু অপেক্ষা করে বসে আছে ওই ছাপ্পান্ন ইঞ্চির ছাতি কখন একটা হালকা হোঁচট খাবে? তুই আমার কথা মিলিয়ে নিস ভাই। যেদিনকা লোকটা একটা কিছুতে লালদাগ দেয়া মার্কস পেয়ে যাবেনা, দেখে নিবি ভাই, শালা, নিজের পার্টির লোক কেমনি বেকসুর কানের গোঁড়ায় দেবে একএক করে! সব চুপচাপ বসে আছে ভাবছিস? অকালী, উদ্দ্ধব আর নীতিশরা কি কথা বলছেনা ভাবছিস? বাকি পদ্মফুলের নেতাগুলো, নাগপুরের প্লেন ধরছেনা নাকি? ভাই, কান ফুসফুস করা শুরু হয়ে গেছে, তোকে বলে রাখলাম। শুধু এখন সময়ের অপেক্ষা। পলিটিক্সের এ নোংরা কুমীরডাঙা খেলায় না ভাই, একটাই কিন্তু ডাঙা। সব কুমীর হাঁ দিয়ে বসে আছে, একবার তুমি জলকে নেমে দেখোই’না শালা। আজ শালা সব প্রাইভেটে করছে, কাল দেখবি দিনের আলোয় সব মিছিল নিয়ে বেরিয়েছে।

আর সেদিন লাস্টে বললাম ভাই আমাদের পাপ্পুর কথা। আর সেই শুনে, তোদের ওই সুড্ডা মুখার্জিবাবুটার কি শালা ঘাড়ফুলিয়ে হাসি! বলে, দেখলে শঙ্কর… পাড়ার ইয়ং জেনেরেসন কিন্তু স্বীকার করছে। ছেলেটা কিন্তু দেখিয়ে দিচ্ছে। তবে যাই বল তুই ভাই, মুখার্জিবাবুটা কিন্তু একদম ফালতু বলেনি। তুই বল ভাই, দুদিন আগে যে পাপ্পু সেরা কমেডি দিয়েছে দেশের লোককে, জমিয়ে রেখেছে ফেসবুক, ওয়াটসঅ্যাপ। সে সেয়ানা মেটেরিয়াল কিন্তু বেশ বুঝেসুঝে খেলছে উনিশের ম্যাচটা। প্লেন কেনাবেচা নিয়ে তোর আর কিছু না হোক রে ভাই, লেগে আছে কিন্তু শালা এঁটুলির মতন। মানতে হবে কিন্তু ভাই। হ্যাঁ, আমাদের ওয়েস্টবেঙ্গলের সাপোর্ট হয়ত তেমনি করে পাবেনা। কিন্তু রাতারাতি একটা ভাল ম্যাটার, একটা ভাল বিরোধী কিন্তু উঠে আসছে রে ভাই। বেশীদিন আর ফেসবুকের চুটকি দিয়ে মালটাকে রুখতে পারা যাবেনা।

তবে ওই আরকি! সে ব্যাটাও শালা নতুন আশা দিলে, সেও লাস্টে দেখবি নতুন আরেকটা হতাশাই হবে। বিএসসি পাস করেছি ভাই, আজ তোর ছ’বছর হয়ে গেলো রে। আর কাঁহাতক পাড়ার কাজ করে যাবে তোদের ভাইয়াদা? কত শালা শ্রাদ্ধবাড়ি খাবো রে শ্মশানবন্ধু হয়ে? তোকে বলেই বলছি রে ভাই। চোদ্দসালে না, সকলের মতন আমারও মনে একটা হালকা আশা এসেছিল। কথাবার্তা শুনে মনে হয়েছিল, হ্যাঁ এবারে একটা হিল্লে হয়ে গেলেও যেতে পারে আমাদের। মাকালী বলছি ভাই! মা’র দিব্যি, ভেবেছিলাম, নতুন গভর্নমেন্ট। সব বদলে যাবে রাতারাতি। কলকাতায়ে না হলে, বাইরের দিকে, নর্থবেঙ্গল সাইডে, একটা মোটামুটি কাজ জুটিয়ে নিলেই, এই আমিও শালা, মাথায়ে টোপর দিয়ে, কোঁচা দুলিয়ে তোদের বুলনদির বাড়ি গিয়ে, সামনের অঘ্রানে একটা দিন দেখতে বলব ওদের। কিন্তু ভাই, ওই আগেই বললাম। শালা, বেকার প্রত্যাশা করেছ কি তুমি গেছো। কোথায় কাজ, কোথায় টোপর, কোথায় কোঁচা আর কোথায় শালা আমার সাধের অঘ্রান মাস? আর দেখলি তো, এখন তো সে শালা কথাই বন্ধ করে দিয়েছে।

তুই বুকে হাত রেখে বল ভাই! একটা পাড়ার মেয়ে, মিতুলের বেস্ট ফ্রেন্ড। তোর যদি রোজ হাত ধরে, তোর জ্বরে বাড়ি বয়ে এসে, কপালে জলপট্টি দেয়, তোর ফেভারেট কালারের ড্রেস পরে মাঠে এসে বসে, ক্লাবে আসে নিয়ম করে.. তোর মনে আশা জাগবেনা ভাই? যাক ভাই, অনেক ভাঁট করলাম সকাল সকাল। কোথাও বোধহয় জরুরি যাচ্ছিলিস। আর শোন ভাই, সামনের বুধবারে সরস্বতী পুজোর মিটিং আছে। একবার ক্লাবের দিকে পারলে আসিস কিন্তু।
😃

Leave a comment