শিবেরই প্রসাদ ফুসফুসে ভরে,
গড়িয়াহাটা কি বাদুর ওই মোড়ে
রাত্তিরে শুরু, সারা সেই ভোরে,
হাঁটা ছিল তোরই পাশে
আজি এই দিনে, ভোলা ব্যাকরণে,
কত শত গাঁথা, শুধু আসে মনে
সে সব কাহিনী, ক’জনই বা জানে,
কৈশোরে বারোমাসে।
একই আত্মাতে শরীর দুখানি,
সস্তা গ্যালারী, কত হানাহানি
একই গেলাসেতে কত কালোপানি,
কানে ঢাকা কালো চুল
ক্যারামে বা তাসে, ইডেনের ঘাসে,
লাফ দিয়ে চড়া চলন্ত বাসে
নিষিদ্ধ কিছু করে ফেলে ত্রাসে,
শুধরনো কত ভুল।
মাঝরাতে কেনা তড়কা ও রুটি,
গুপীতে বাঘাতে পরিচিত জুটি
কচুভাজা খেয়ে হেসে লুটোপুটি,
হতাশ হওয়া যে প্রেমে
ধরা পরে যাওয়া অচেতন স্বরে,
মাথা নিচু করে, ফিরে আসা ঘরে
সাঁতার না জেনে চিৎকার করে,
মাঝগঙ্গাতে নেমে।
দু চোখেতে ছিল স্বপ্ন স্বাধীন
অসমসাহসী, শৃঙ্খলাহীন
তরমুজ মদে, সে রাতে রঙীন
কিশোরের গাওয়া গান
হঠাৎ সে রাতে, বেহায়া তামাকে
ঝাপসা নজরে, সামলা আমাকে
আঁকড়িয়ে ধরা, তোরই জামাকে
বেঁচে যাওয়া সম্মান।
মেটিয়াবুরুজে পড়ে থাকা লাশে
ধুলো পড়ে যাওয়া বাকী ইতিহাসে
দাঁতে কেটে নেওয়া শুকনো সে ঘাসে
ঘামে ভেজা ওই জামা
অভিলাষে জাগে গোটা কলিকাতা
আজি শুভদিনে, ফের খুলে খাতা
লিখি দিনু তাতে, আমারই বারতা
যুগ যুগ জিয়ো মামা।
Leave a comment