বেহায়া কোকিলে, আশাবরী নীলে, চৈতি অরূণোদয়ে
শুরু পথ চলা, এ নাগরদোলা, পান্থপথিক হ’য়ে
কখনও সে পথ পাথুরে জমিনে
কখনও সে ঢাকা ফাগুয়া রঙিনে
কত কান্তার, রাত্তিরে দিনে, ইছামতী খেয়া বেয়ে
শুরু পথ চলা, এ নাগরদোলা, পান্থপথিক হ’য়ে
মন জানালার দ্বার খুলে রাখা
বাউলিয়া সুরে রাঙ্গাপথ আঁকা
তিমিরআঁধারে হাতে হাত রাখা, দিন গেছে গাঁথা গেয়ে
শুরু পথ চলা, এ নাগরদোলা, পান্থপথিক হ’য়ে
ইত্যবসরে নানা অবসানে
পৌষে, আষাঢ়ে, ফাগুন আশ্বিনে
সমাপ্তিসীমা কেহ নাহি জানে, পুরাতন আসে ধেয়ে
শুরু পথ চলা, এ নাগরদোলা, পান্থপথিক হ’য়ে
সকলই পথিক, সকলেই বুঝি
যাত্রার মাঝে পরিজন খুঁজি
তবু বুঝে নেওয়া মজুরীর রুজি, অনাময়টুকু ক্ষয়ে
শুরু পথ চলা, এ নাগরদোলা, পান্থপথিক হ’য়ে
কিশোরী নূপুরে চপল ওই মতি
মধ্যগগনে উজ্জ্বল জ্যোতি
সাবালকে দেখা মন্থরগতি, থাকিবেনা কিছু র’য়ে
শুরু পথ চলা, এ নাগরদোলা, পান্থপথিক হ’য়ে
তবু ফিরে আসে, বসন্ত মাসে
আধো রাতে চলে ফুসফুসে শ্বাসে
মর্মর ধ্বনি দখিনা বাতাসে, তোমারই কেতন ল’য়ে
শুরু পথ চলা, এ নাগরদোলা, পান্থপথিক হ’য়ে
Leave a comment