জয়ন্তী – এপ্রিল ৭, ২০১৮

বেহায়া কোকিলে, আশাবরী নীলে, চৈতি অরূণোদয়ে

শুরু পথ চলা, এ নাগরদোলা, পান্থপথিক হ’য়ে

কখনও সে পথ পাথুরে জমিনে

কখনও সে ঢাকা ফাগুয়া রঙিনে

কত কান্তার, রাত্তিরে দিনে, ইছামতী খেয়া বেয়ে

শুরু পথ চলা, এ নাগরদোলা, পান্থপথিক হ’য়ে

মন জানালার দ্বার খুলে রাখা

বাউলিয়া সুরে রাঙ্গাপথ আঁকা

তিমিরআঁধারে হাতে হাত রাখা, দিন গেছে গাঁথা গেয়ে

শুরু পথ চলা, এ নাগরদোলা, পান্থপথিক হ’য়ে

ইত্যবসরে নানা অবসানে

পৌষে, আষাঢ়ে, ফাগুন আশ্বিনে

সমাপ্তিসীমা কেহ নাহি জানে, পুরাতন আসে ধেয়ে

শুরু পথ চলা, এ নাগরদোলা, পান্থপথিক হ’য়ে

সকলই পথিক, সকলেই বুঝি

যাত্রার মাঝে পরিজন খুঁজি

তবু বুঝে নেওয়া মজুরীর রুজি, অনাময়টুকু ক্ষয়ে

শুরু পথ চলা, এ নাগরদোলা, পান্থপথিক হ’য়ে

কিশোরী নূপুরে চপল ওই মতি

মধ্যগগনে উজ্জ্বল জ্যোতি

সাবালকে দেখা মন্থরগতি, থাকিবেনা কিছু র’য়ে

শুরু পথ চলা, এ নাগরদোলা, পান্থপথিক হ’য়ে

তবু ফিরে আসে, বসন্ত মাসে

আধো রাতে চলে ফুসফুসে শ্বাসে

মর্মর ধ্বনি দখিনা বাতাসে, তোমারই কেতন ল’য়ে

শুরু পথ চলা, এ নাগরদোলা, পান্থপথিক হ’য়ে

 

Leave a comment